Saturday, February 22, 2020

কফি হাউস

কফির কাপে চুমুক দিয়ে মন মজে আজ আড্ডায়,
হালকা কিম্বা ভারি বিষয় সবকিছু চলছে ঠাট্টায় l
কফির কাপে চুমুক দিয়ে নতুন ইচ্ছের সৃষ্টি,
ভবিষ্যতের উত্তাপ মেখে আসবে খুশির বৃষ্টি l
কফির কাপে চুমুক দিয়ে বন্ধুত্বের চলা শুরু,
সমাজটাকে বদলে দিতে সবাই মোরা গুরু l
কফির কাপে চুমুক দিয়ে প্রেমের পথ চলা
কফি হাউসের শিক্ষা মোদের প্রেমের নানান কলা l

বন্ধুত্ব

গিনেস বুকে লেখা থাকবে অজানা সে তথ্য,
হাজার বছর পার করেও অটুট আছে বন্ধুত্ব l
বন্ধুত্ব ভরা দিন গুলিতে সূর্যের রঙ মেখে,
রাতের বেলা চাঁদের আলোয় থাকবে বন্ধুত্ব জেগে l
উদাস বাতাস মন ভালো করা শীতলতার ছোঁয়ায়,
বন্ধু তোর সান্নিধ্যে বন্ধুর মনটা গেছে খোয়ায় l
তবুও বন্ধুত্ব বসন্তের দিনে হলুদ রঙে সাজে
বন্ধুত্বের রঙ জমা থাকেনি পুরনো ডায়রির ভাঁজে l
আকাশের নীল বাতাসের সাথে বন্ধু হয়েছে যেদিন
জোছনার রূপে চাঁদের সাথে পৃথিবীর পরিচয় সেদিন l
বন্ধু মানেই প্রশ্ন ছাড়াই কাউকে বিশ্বাস
বন্ধুত্ব মানেই বন্ধু কে দেওয়া ভালো কিছুর আশ্বাস l

সৃষ্টি

হাতে যদি জাদু থাকে হবেই তাঁর জয়,
সৃষ্টি সুখে এগিয়ে যাবে কিসের তার ভয় l
হাতের তুলি সৃষ্টি করবে নতুন এক ইতিহাস,
হলুদ রঙে রাঙায় নিজেকে রূপসী ফাল্গুন মাস l
রঙের ছোঁয়ায় জীবন পেল নানান মনের ভাবনা,
সব কিছুকে ছাপিয়ে গেল সুন্দর মনের কল্পনা l
হাতের ছবি রাতের বেলা স্বপ্ন হয়ে ঘুরে,
আঁকড়ে ধরি স্বপ্ন কে সব যেন না যায় দূরে l
রঙের তুলি রঙিন করে জীবনের সব পথ,
তুলি হাতে জীবন ঘুরে চড়ে পুষ্প রথ l
স্রষ্টা তবু করেই চলে নতুন নতুন সৃষ্টি,
সৃষ্টির স্বাদ কখনো তেতো কখনো আবার মিষ্টি l
আবার যদি নতুন কোনো সৃষ্টির ইচ্ছে হয়,
সমাজটা কে সঠিক ভাবে আঁকে কি লাগে ভয় l
সূর্যের সাথে আঁধার মিলে পৃথিবীর রূপ আঁকা,
আঁধারটা কে বাদ দিলে কি পৃথিবী কি পুরো ফাঁকা l

নষ্ট মন

ছোঁয়ায় যদি মন নষ্ট হলে ভিড় মাঝে যেও না তুমি,
শরীর ছোঁয়ায় অপবিত্র হলে শত ভাগ হতো পবিত্র ভূমি l
শরীরের ক্লান্তি শরীর মেটায় মন পড়ে থাকে শান্ত,
তোমার কথা ভাবতে ভাবতে মন হয়ে যায় ক্লান্ত l
মনের ইচ্ছে মিছে মিছেই স্বপ্নকে করে নিজের,
মনে মধ্যে কল্পনারা নিজেই জানে ভাবে কি যে l
সুন্দরী তোমার রূপের উত্তপ্ত রাতের আঁধারে ফোটে,
মনের মাঝে ওই উত্তাপ রাতের স্বপ্ন হয়ে ওঠে l
সুন্দরী তোমার শাড়ির আঁচলে ভালোবাসা থাকে ধরা
রূপসী তোমার মনের ভেতর ভালোবাসা কি থাকে ভরা l
ইচ্ছেপূরণের স্বাদ আজ আদর মাখে গায়ে
হয়তো কখনো দেখা হয়ে যাবে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ে l
সেদিন আবার নতুনভাবে সন্ধ্যা নামে প্রান্তরে
ভালোবাসা থাক বাইরের দাঁড়িয়ে নাই বা স্থান পেল অন্তরে l

প্রাসাদ

প্রাসাদ সে এক কষ্টের কাহিনী বহু স্মৃতি দিয়ে গড়া,
প্রতিদিনের কাহিনী লিখেতে নিজের সাথে লড়া l
প্রাসাদ গড়তে হাজার বিন্দু রক্ত হয়েছে ঘাম,
সকাল ঠিক আটটা হলেই করুণাময়ী তে জ্যাম l
প্রাসাদ সেতো সুন্দরী তোমার রূপের জন্যে গড়া,
প্রসাদ তার কুত্সিত রূপ রূপসী তোমায় ছাড়া l
প্রেমের প্রাসাদ মাঝে যেদিন রূপসীর রূপ ঝরে,
দূর আকাশের নীল রঙটি কে ডাকবে নাকি ঘরে l
প্রাসাদ সেতো আজকে তোমার কালকে অন্য কারো,
মনের কিনারে স্থান দিয়ো তাকে যদি তুমি পারো l
ভালোবাসা তবু লেখা থাকে তার প্রতিটি ইটের গায়ে,
প্রেম আগুনে পুড়ে গেলেও বাঁচে থেকে তার ছাইয়ে l
প্রেমিক তবুও গান ধরে রোজ ঠোঁটের উত্তপ্ত মেখে,
পাশ কাটিয়ে চলে যায় প্রেম দেখেও যেন নাই দেখে l

Friday, February 21, 2020

প্রেমের রঙ

তোর কি জানা আছে প্রেমের রঙ কি,
সূর্যের রঙে রঙিন করে প্রেম কিছুটা দি,
তোর কি জানা আছে প্রেমের বাড়ি কোথায়,
আকাশ জুড়ে মেঘেরা ওড়ে নীল রঙের বাসা সেথায় l
প্রেম কি রোজ সূর্যের সাথে ভালোবাসার আলো ছড়ায়,
প্রেম কি তবে সূর্যমুখীর সাজে দুই মন কে জড়ায় l
দূরের প্রান্তরে সূর্য যখন লাল রঙের ইচ্ছে,
গোলাপের ফুল ছাড়া কি প্রেম হয়ে যায় মিছে l
প্রেম যখন মাটির উপর অজানা বুনো ফুলের রূপে ফুটে,
তার ভাগ্যে কি প্রেমের উত্তাপ খানিকটা কম জোটে l
ঝড়ের রাতে প্রেমের সাথে হারিয়ে যায় মনের ব্যথা
বাতাসের সুরে হারিয়ে গেছে বলে না ওঠা কত কথা l
প্রেমের শরীর জুড়ে তবে কি চাঁপা ফুলের গন্ধ
প্রেম কি তবে বাসা বাঁধে যেথা মানব শরীরের রন্ধ্র l
সুন্দরী তোর প্রেমিক যেদিন ঝড়ের পূর্বে আসে
বাতাসের সুরে সুর মিলিয়ে তোকে কি ভালোবাসে l

এলজেব্রা

সুন্দরী তোমার খাতায় শুধু এলজেব্রার ছবি,
প্রেমের ছোঁয়ায় উদাস হাওয়া খাচ্ছে শুধুই খাবি l
সুন্দরী তোমার হাতের ভিতর পেন্সিল কেন আজ,
দূর আকাশে জমানো আছে তোমার জন্যে কাজ l
ইচ্ছে করে তোমার খাতায় দু একটা কথা লিখি,
তোমার থেকে আজ বিকেলে প্রেমের পাঠ শিখি l
দেবদাস এর কাছে তুমি যেন তাঁর হারানো চন্দ্রমুখী
আমাকে পেলেও জানি তোমার মন হবে না সুখী l
রূপসী তোমার রূপের রঙে রাঙিয়ে বিকেল আসে
আলতো ছোঁয়ায় মন ভরে যায় সন্ধ্যা বেলায় বাসে l
দূর আকাশের জোছনা ভরা জমানো কতই কথা
আনন্দ না থাক তবুও যেন বড়ই সুখের সে ব্যথা l

রাতবাতি

সূর্য ওঠে অপর প্রান্তে রাতবাতি খুঁজে মনের অজান্তে,
ভালোবাসা যদি ঢাকা পড়ে কোনো সূর্যের আলোয় ,
রাতবাতির রাতে ফুটে ওঠে তার সজ্জা ভালোয় l
সুন্দরীর মনে লজ্জা ঢাকে রাতবাতির রঙ,
তার আলোতে রূপসী নারীর কত ডং l
রাতবাতি তবু জেগে থাকে পুরো রাত জুড়ে,
সন্ধ্যা আকাশে রাতবাতি তার রূপ উড়ে l
উদাস মন তবু ভালোবাসে রাতবাতির সাঁঝ,
ক্লান্ত দিনের শ্রান্ত মনের শেষ হওয়া কাজ l
রাতের আঁধারে আশার আলো রাতবাতি
একলা বেলার ভালো লাগা সন্ধ্যের সাথী l
আকাশ জুড়ে সূর্য তারা কতই তার আলোর ধারা
কাছের সাথি রাতবাতি অভাব মেটায় দিন রাতি l
রাতের প্রাণীর সাথে লড়াই করে রাতবাতি
প্রশ্ন করে কি কেউ রাতবাতি তুই কোন জাতি l
স্বপ্নের সাথে সন্ধি করে আগামীর সুখ
রাতের বেলায় ফুটিয়ে তোলে ভবিষ্যতের মুখ l
রাতবাতি তবু আড়ালেই থাক দিনের আলোয়
রাতের বেলা দিনের টুকরো থাকুক ভালোয় l

রাতের রূপ

রাত না থাকলে নিজের বলে থাকে নাকি কিছু,
রাতের রূপ ফুটুক উঠে সূর্য ডোবার পিছু l
সূর্যের তবু অনেক কাজ অর্ধেক পৃথিবী বাকী,
দুপুরবেলা দেখতে হবে গরিবের অন্ন খেয়ে না দেয় তাকে ফাঁকি l কেউ যেন রোজ দিনের বেলা আলো অভাব বুঝতে নাই পারে, সূর্যের আলো রঙ ছড়িয়ে যায় সবার ঘরে ঘরে l
রাতের তারা চাঁদ ছাড়া কি স্বপ্ন ধরা দেয়,
রাতের আকাশ জুড়ে কল্পনার ছবি আঁকে l

ক্যাম্পাস

ক্যান্টিনের চায়ের কাপ ঠোঁটের উত্তাপ খুঁজে,
ভালো লাগা কিছুটা সময় মত্ত তর্ক বোঝে l
ক্যাম্পাসের পড়াশোনা খানিকক্ষণ মুখ বুজে,
ক্লাস শেষে আবার সে পছন্দসই সময় খোঁজে l
সমাজের সব পাপ ধুয়ে দেয় ক্যান্টিনের খাদ্য,
সমান আহার করে ছেলে মেয়ে গান ধরে সঙ্গে বাদ্য l
ক্যাম্পাসে ঘুরে ফেরে সুন্দরী নারী,
তার আঁচলে রঙিন রূপকথার সারি l
স্মার্ট সব ছেলেরা মেয়েদের পিছনে ঘুরে,
ধুতি পাঞ্জাবি পরা ছেলে হলে মেয়েরা থাকে তাদের থেকে দূরে l
মনের মিলনের আশায় রঙবেরঙের পোশাক পরে,
বাইকের গতি তাদের ভীষণ জোরে l
পিছনে যদি মেয়ে থাকে গাড়ি ঘুরিয়ে নতুন বাঁকে
মন যদি মত্ত হয় গাড়ি ঠেকায় পুরনো পাঁকে l
মন ভোলানো ডিওড্রেন্ট ছড়ায় মিষ্টি প্রেমের গন্ধ
প্রেম তাতেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরের নানান রন্ধ্র l

স্বপ্নেরা ছড়ায় জোছনা

সূর্যের রঙে রাঙিয়ে নিজেকে নদীর জল সাজে,
বিকালের রোদের প্রতীক্ষায় রয় মন লাগে না কাজে l
রূপসী তোমার কাছে কি চাঁদের ঠিকানা আছে
নদীর জলে প্রেম করে রোজ অজানা দ্বীপের মাছে l
রাতের আঁধারে নারী শরীর মনে উত্তেজনার স্রোত
নদীর জলে কাঁকড়া তবুও পেতে থাকে রাতে ওৎ l
একবার যদি দাঁড়ার ভিতর আনতে পারে শিকার
শরীরটাকে শুষে নেয় যেন দারুণ কোন লিকার l
নেশায় মেশানো শরীর জুড়ে অধীর মনের বিচরণ
শরীর জুড়িয়ে শুরু হয়েছিল ভালোবাসার রসের ক্ষরণ l
কিছু সময় নষ্ট হয়েছে রাতের কিছুটা বাকী
রূপসী তুই কি অন্য কারোর মিছেই আমি ডাকি l
শরীরের চেয়েও বেশী ক্ষমতা মন জুড়ে তার বাস
একাই না হয় আমার জন্য নদীর তীরে যাস l
হয় তো কখনো নৌকায় চড়ে পৌঁছাবো তোর নদীর তীরে
নেশায় মেশানো বিকেলের নদী বয়ে চলে ধীরে ধীরে l
খোলা বাতাস কামনায় ভিজে ঘুরে ফেরে দ্বীপ দ্বীপান্তরে
মনের মানুষ ফিরে আসে তীরে যারে স্থান মিলে অন্তরে l
স্বপ্নরা তবু রাতের আঁধারে কল্পনার রূপে জ্বলে
রূপসী তোমার হাজির হওয়া রূপকথার রূপের ছলে l
স্বপ্নরা তবু কোনো একদিন সূর্যের সাথে জাগে
ফিকে হয়ে আসা মনের উপর সূর্যের রঙ লাগে l
সুন্দরী তোমার সাথে যদি দেখা হয় কোনো চাঁদনি রাতে
স্বপ্নের স্বাদ পূর্ণ হবে কি হাত ছুঁয়ে সুন্দরী হাতে l
তবুও দূরের জঙ্গল হতে শেয়াল উঠে ডেকে
নদীর জল নেশা ধরায় ভিড় করে সবাই লেকে l
খোলা হাওয়ায় ভিজে শরীর মনে কল্পনার উত্তেজনা
সুন্দরী তোমার সাথে এক রাত স্বপ্নেরা ছড়ায় জোছনা l
নদীর তীরে সুবাস ছড়ায় বুনো ফুলের রাশি
রাত ফুরিয়ে স্বপ্নের স্বাদ হয়ে যাবে ভোরে বাসি l
স্বপ্নরা তবু ভালোবাসে রোজ রাতের রঙে সেজে
ভাবনা ছাড়াই নৌকা ভাসায় গভীর নদীর মাঝে l